12 May 2026 Tuesday, 12:24 AM
২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ মঙ্গলবার, 12:24 AM
155, Jalil Sharoni, Rayermohol, Boyra, Khulna 9000
+880 1915 319448  |  info@shushilan.com
ব্রেকিং নিউজ

এক নজরে সুশীলন

13 April 2026 05:33 PM 17 ভিউ কমলেশ বিশ্বাস, উপ-পরিচালক, সুশীলন

এক নজরে সুশীলন
১৭.ভূমিকা    :
১৯৯১ সালে সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বেনাদনা গ্রামে সুশীলন জন্মগ্রহন করে। সুশীলন ৩৫ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত ও সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সুযোগ সৃষ্টি ও সক্ষমতা বিকাশের মাধ্যমে স্থায়ীত্বশীল সম্পদ ব্যবস্থাপনা, দূর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো, শিক্ষা, আইসিটি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পানি—পয়নিষ্কাশন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনজীবিকার মানউন্নয়ন, মানবাধিকার ও সুশাসন এবং জেন্ডারসাম্য রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।
১. প্রতিষ্ঠার বছর        : ১৯৯১
২.নিবন্ধন নম্বর        : সাতক্ষীরা/৯৪/৯১/৯৮, তারিখ—৯/১০/৯১, সমাজসেবা
৩.প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান    : মোস্তফা নুরুজ্জামান
৪.প্রধান কার্যালয়        : ১৫৫, কেডিএ জলিল সরণি, রায়েরমহল, বয়ার,  খুলনা—৯০০০
৫.কার্যপরিধি        : সুশীলন বাংলাদেশ এর সমস্ত জেলাতে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে বর্তমানে ১৯টি জেলায় কাজ করছে।
৬.ধরণ            : অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সমাজসেবা মুলক উন্নয়ন সংস্থা
৭: সংস্থার ওয়েব সাইট     ঃhttps://shushilan.org
৮.ইমেইল            :@shushilan.org
৯. ফেসবুক         : Shushilan's Official Facebook
১০.অফিস পরিচিতি        ঃ বর্তমানে সুশীলন এর ৫২ টি অফিস রয়েছে।
১১.মোট প্রকল্পের সংখ্যা    : ৪৭২
১২.সমাপ্ত প্রকল্পের সংখ্যা    : ৪৪৪
১৩. চলমান প্রকল্পের সংখ্যা    :২৮
১৪.বর্তমান দাতা সংস্থা    : ১৯
১৫. বর্তমান প্রকল্প        : ৩০
১৬. বর্তমান কর্মী সংখ্যা    : ৯৫৩, নারী—৩৯৩, পুরুষ—৫৬০

 ১৮.মূল দর্শন        : 
মানুষ অসীম সম্ভাবনার আধার, সেই সম্ভাবনার বিকাশ ঘটানো এবং মানুষের সেই অর্জন মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো।
১৯.মৌলিক নীতিমালা    :
    সাম্য ও নিরপেক্ষতা
    জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ
    পিছিয়ে পড়া, ক্ষতিগ্রস্থ ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির স্বার্থ সংরক্ষণ
    গণতান্ত্রিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
    পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ আবাসভূমি তৈরী করা
 ২০.ভিশনঃ
আর্থ—সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ উপযোগী সমাজ প্রতিষ্ঠা করে সবাই মর্যাদা ও সম্মানের সাথে জীবনযাপন করছে।
 ২১.মিশনঃ
সুশীলন এর মিশন হল সুযোগ সৃষ্টি এবং ব্যক্তি ও সমাজকে সক্ষম করে দারিদ্রপীড়িত মানুষের জন্য টেকসই ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মাধ্যমে তাদের জীবনের উন্নয়ন সাধন করা ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন, সহনশীলতা বৃদ্ধি, জরুরী সাড়া প্রদান, অধিপরামর্শ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।
২২.কৌশলগত লক্ষ্য
    দারিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারী মানুষের জীবন উন্নয়ন এবং টেকসই সমাজ গঠন।
    মানবিক ব্যবস্থাপনা জোরদার, দূর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন ও প্রশমন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ।
    লিঙ্গ সমতা, শিশু সুরক্ষা, মানবাধিকার এবং তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তভূর্ক্তি নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা।
    জনগনের সংগঠন বিকাশ, অংশীদারিত্ব স্থাপন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত স্থানীয়করণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন।
    ভাল স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা, মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন।
    প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কমিউনিটির কল্যাণে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহার উৎসাহিত করা।
২৩. ক্রসকাটিং ইস্যু 
    সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন 
    শিশু কল্যাণ 
    দারিদ্রতার হ্রাস এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন 
     স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা 
    সামাজিক অন্তভূর্ক্তি
    ভ্যালু ফর মানি 
    স্থায়ীত্বশীলতা 

২৪.বাস্তবায়ন পদ্ধতি 
    অংশগ্রহণমূলক 
    গনতান্ত্রিক 

২৫.এক নজরে সংস্থার কর্মসূচী সমূহ 
    আর্থ—সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচী 
    শিক্ষা, আইসিটি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মসূচী 
    জলবায়ু পরিবর্তন, দূর্যোগ, মানবিক সাড়া প্রদান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচী 
    মানবাধিকার, সু—শাসন এবং অধিপরামর্শ কর্মসূচী 
    স্থায়ীত্বশীলন জন সংগঠন, অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচী 

২৬.উল্লেখযোগ্য অর্জন
    এ পর্যন্ত প্রায় ১০,০০০,০০০ (এক কোটি) পরিবার সরাসরি সেবা পেয়েছে।
    প্রতি বছর প্রায় ৫০,০০০ মানুষকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। 
    বর্তমানে ১৯ টি জেলাতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
    বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পুরস্কারে সম্মানিত
    ভূমিহীনদের জন্য জমি প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ: স্থায়ীভাবে ৯৯৮টি পরিবার এবং অস্থায়ীভাবে ১৫৫টি পরিবারকে জমি প্রাপ্তিতে সহায়তা।
    ভূমি আন্দোলন সংগঠনে সহায়তা প্রদান।
    বিভিন্ন দুর্যোগে প্রায় ১০ লক্ষ পরিবারকে সহায়তা প্রদান।
    কোভিড—১৯ মহামারির সময় প্রায় ১ লক্ষ পরিবারকে জরুরি সহায়তা প্রদান।
    ৩০০টির বেশি খাল পুনঃখনন।
    ৫০০টির বেশি পুকুর খনন/পুনঃখনন।
    ৫০০টির বেশি পিএসএফ (চঝঋ) পুনর্নির্মাণ ও মেরামত।
    ১,০০০ পরিবারের জন্য পাইপের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ।
    ১০,০০০—এর বেশি পরিবারে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ (রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং) ব্যবস্থা স্থাপন।
    নদীর পানি পরিশোধন (রিভার ওসমোসিস) পদ্ধতির মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ।
    ২০,০০০ এর বেশি অগভীর ও গভীর নলকূপ স্থাপন।
    কক্সবাজারের ৩১টি এফডিএমএন (ঋউগঘ) ক্যাম্পে কার্যক্রম পরিচালনা।
    ৭,০০,০০০ এর বেশি স্কুলগামী শিশুর কাছে পৌঁছানো এবং ১৩,০০০ শিশুকে মিড—ডে মিল প্রদান।
    ৩০,০০০—এর বেশি ঘরবাড়ি নির্মাণ।
    ১৫০ কিলোমিটার বাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ।
    বিভিন্ন প্রকল্পের ওপর ১,০০০—এর বেশি প্রকাশনা প্রকাশ।
উপসংহার:
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সুশীলন বাংলাদেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দারিদ্র বিমোচন, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশনসহ বহুমাত্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংস্থাটি টেকসই উন্নয়নের একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে। মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সুশীলন শুধু সেবা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি সচেতন, সক্ষম ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সুশীলন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে আরও কার্যকর অবদান রাখবে


কমলেশ বিশ্বাস
উপ—পরিচালক ও প্রধান, প্রকিউরমেন্ট, লজিস্টিক এন্ড এ্যাডমিন সেল 

সুশীলন এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় সংখ্যা: ১
ব্যাঘ্রতট - সুশীলন মুখপাত্র